বছর চল্লিশ আগে। আছি ৬৭ যতীন দাশ রোডের তিনতলায়। একদিন সকালে ঘর ঝাঁট দিচ্ছি। হঠাৎ দরজায় ঘণ্টা। ঝাড়ুহাতেই খুলেছি। আমার প্রাক্তন ছাত্রী স্বপ্না (গুহ)। ঝাড়ুহাতে আমাকে দেখে অবাক, আবার খুশিও। বলল, “আপনাকে অন্য চেহারায় দেখব আশঙ্কা ছিল। খবরের কাগজে আজ অমিয় দেবের মৃত্যুসংবাদ বেরিয়েছে।” বোঝা গেল, ইনি কোনও অন্য অমিয় দেব। স্বপ্না চলে যাবার খানিক পরে বেরিয়েছি। ফুটপাথ ধরে একটু এগোতেই দেখি মিমি (মীনাক্ষী দত্ত) ও (‘Bey of Bengal’ খ্যাত) হামদি বে। “সে কী, আপনি মারা যাননি?” মিমির গলায় হর্ষ। আর হামদি— “You can’t even die properly?” শেষ পর্যন্ত জানা গেল, অমিয় দেব নামে আনন্দবাজার পত্রিকার এক কর্মীর মৃত্যু হয়েছে।
এক মৃদু ভ্রান্তিবিলাস এ। কিন্তু যে ভ্রান্তিবিলাস নিয়ে এই কদিন আমি উত্তেজিত হয়ে আছি তা বড়ো মাপের। তা দুই কলকাতাবাসী সমবয়সি স্বনামধন্য অমিতাভ চৌধুরীকে নিয়ে। একজনের জন্ম ১১ নভেম্বর ১৯২৭, অন্যজনের ১৬ জুলাই ১৯২৮। একজন জন্মেছিলেন কলকাতায়, যদিও স্কুলশিক্ষা মৈমনসিংহে; অন্যজন শিলচর সন্নিকট এক চাবাগানে, স্কুলশিক্ষাও বরাক উপত্যকাতেই। দুজনই সাংবাদিক। কিন্ত একজন শুধু সাংবাদিকতাতেই সমর্পিত, জীবনভর সেই স্বধর্মই আচরণ করেছেন; অন্যজন সেইসঙ্গে ছড়াকার এবং লেখকও— মুখ্যত রবীন্দ্রনাথ নিয়ে এক অন্যধারার লেখক। মনে আছে যখন প্রথম
বনলতা বক্সি
ক্লাসে দিয়ে প্রক্সি,
ইনি উনি দুজনায়
চলে যান সিনেমায়
মেট্রো কি রক্সি।
বা
হেলিকাপটার হেলিকাপটার,
এভিয়েশনের নিউ চাপটার।
কেয়ার করে না ঝড়ঝাপটার,
হেলিকাপটার হেলিকাপটার।
বা
ছড়াটড়া লিখেছেন
অমিতাভ চৌ—
—ধুরী আর বাঁকুড়ার
শ্রী নরেশ ভৌ—
—মিক তাই পড়ে ফেলে
তক্ষুনি দৌ—
—ড়ান শ্বশুরালয়েতে
আসামের গৌ—
—হাটি, সেইখানে থেকে
তার বউ সৌ—
—দামিনী পড়েন অ আ
এ ঐ ও ঔ।
পড়ে ছড়াকার কবি অমিতাভ চৌধুরী বিষয়ে অবহিত হচ্ছি, তখন এক অন্য অমিতাভ চৌধুরীর কথা শুনি যিনি ‘যুগান্তর’ পত্রিকায় কাজ করেন ও ‘শ্রীনিরপেক্ষ’ ছদ্মনামে সপ্তাহে সপ্তাহে তাঁর ‘নেপথ্য-দর্শন’-এ মূল্যবৃদ্ধি, আমলাতান্ত্রিকতা ও সরকারি দুর্নীতির কথা লেখেন। এবং তা কামান দেগে নয়, আর্ত ও ভুক্তভোগীদের উদাহরণ তুলে তুলে— উদাহরণের পর উদাহরণের পর উদাহরণ। তাঁর এই ‘ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম’ হেতুই ১৯৬১-তে তিনি রামোন মাগসাইসাই পুরস্কার পান।
সেদিন হঠাৎ খেয়াল হল এক নামের এই দুই কৃতীর স্মৃতি একটু ঝালিয়ে দেখি। আমার দৌড় তো ওয়েবসাইট। খুলেই প্রথম বিস্ময়— আটমাসের ছোটোবড়ো হলেও তাঁদের মৃত্যু একই দিনে— ১ মে ২০১৫। হয়? কলকাতাবাসী দুই সমবয়সি অমিতাভ চৌধুরীর একই দিনে মৃত্যু? এক বিরল সন্নিপাত?
কিন্তু আর কী বলছে ওয়েবসাইট? কবি-সাংবাদিক অমিতাভ চৌধুরী নাকি সিলেটে জন্মেছিলেন। (বরাক উপত্যকার বাঙালিদের শিকড় শ্রীহট্টে— তারই কি এক সরলীকরণ নয় এই ভ্ৰম?) এবং শান্তিনিকেতনের পাঠভবনে নাকি পড়েছিলেন। না, শান্তিনিকেতনের পাঠভবনে তিনি পড়েননি; স্কুল তাঁর ছিল বরাকেই; শান্তিনিকেতন এসেছিলেন উচ্চশিক্ষার্থে। এবং তা শেষ করে কিছুদিন সেখানে, বোধহয় পাঠভবনেই, পড়িয়েছিলেন। (ভ্রমের উৎস হয়তো সেখানেই, ‘পাঠন’ শব্দের আ-কার বর্জনে।) তবে শান্তিনিকেতন তিনি ভালোবেসেছিলেন। তাঁর লেখা ‘জোড়াসাঁকোর ঠাকুর বাড়ি’ থেকে শিলচরের ‘সাময়িক প্রসঙ্গ’ পত্রিকায় ২ মে ২০১৫-তে ছাপা তাঁর প্রয়াণলেখতে (‘চলে গেলেন বরাকের সুসন্তান অমিতাভ চৌধুরী’) ব্যবহৃত একটা উদ্ধৃতি তুলে দিচ্ছি—
আমি যখন ১৯৫৬ সালে শান্তিনিকেতন ছেড়ে কলকাতায় চলে আসি, তখন আমার ট্রেনের কামরার পাশের সেকেন্ড ক্লাস কামরায় ছিলেন প্রতিমা দেবী। আর ছিলেন সুরেন্দ্রনাথ কর। ট্রেন বর্ধমানে থেমেছে। কী একটা কারণে ট্রেন ঘণ্টা দেড়েক আটকে থাকবে স্টেশনে। আমাদের প্রিয় সুরেনদা— সুরেন্দ্রনাথ কর— হঠাৎ আমাকে ডেকে পাঠান এবং প্রতিমা দেবীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। আমি প্রণাম করতেই তিনি আমায় আশীর্বাদ করে বললেন— “তোমরা সবাই চলে যাচ্ছ বাবামশায়ের আশ্রম ছেড়ে। বড় খারাপ লাগে। কী যে হল শান্তিনিকেতনের? ভাল থাকো।” আমার মনে হয় তাঁর পথসঙ্গী সুরেন্দ্রনাথ করের কাছে হয়তো শুনেছিলেন, আমি আমার ভালোবাসার জায়গা ছেড়ে চলে যাচ্ছি। প্রতিমা দেবীর ডাকে আমি বিচলিত হয়েছিলাম। ভেবেছিলাম, আবার ফিরে যাই শান্তিনিকেতনে। কিন্তু সে আর হয়নি।
কলকাতা আসছিলেন ‘আনন্দবাজার’-এর ডাকে। বার্তাসম্পাদক হিসেবে এক রম্যতা আনেন তিনি সংবাদ পরিবেশনে যা ক্রমেই তাঁর সাংবাদিকতার বিশিষ্টতা হয়ে দাঁড়ায়। যখন ‘আনন্দবাজার’ ছেড়ে ‘যুগান্তর’-এর যুগ্মসম্পাদক হয়ে গেলেন তখনও তাই। এবং নতুন উদিত ‘আজকাল’-এ যখন এলেন, তখনও। সাংবাদিক হিসেবে তাঁর খ্যাতির এক ভিত্তিই বোধ করি তা। তার মানে, মাগসাইসাই-প্রাপ্ত ‘নিরপেক্ষ’ অমিতাভ চৌধুরীর সঙ্গে তাঁর কোনও মিল নেই, যিনি কিছুদিন পরে ‘ইন্টারন্যাশনাল প্রেস ইনস্টিটিউট’-এর ডিরেক্টরও হন (১৯৬৫-৬৮), আর তারও পরে অনেকদিন থাকেন ম্যানিলায় ও হংকংয়ে, গড়ে তোলেন ‘প্রেস ফাউন্ডেশন অব এশিয়া’, হন রাষ্ট্রপুঞ্জের গণমাধ্যম বিষয়ক এক উপদেষ্টাও। অথচ ওয়েবসাইট অন্যতর সাংবাদিককেও, মানে কবি-সাংবাদিক অমিতাভ চৌধুরীকেও, মাগসাইসাই পুরস্কার পাইয়ে দেয়! যেন সাংবাদিক অমিতাভ চৌধুরী মাত্রেই মাগসাইসাই-প্রাপ্ত অমিতাভ চৌধুরী! ভ্রান্তিবিলাস আর কাকে বলে!
অন্যদিকে, কবি-সাংবাহিক অমিতাভ চৌধুরী বহু বই লেখেন। তার মধ্যে যেমন ছড়ার বই আছে, আছে রবীন্দ্রনাথ নিয়ে অন্যধারার অনেক বই (যেমন ‘কবি সন্ন্যাসী’, ‘রবীন্দ্রনাথের পরলোক চর্চা’ ও ‘জমিদার রবীন্দ্রনাথ’), তেমনই অন্য বিষয়ের বইও (যথা ‘আমার বন্ধু সুচিত্রা সেন’, ‘ভারতীয় ভাষায় মুসলিম সাহিত্য’ ও ‘মুক্তিযুদ্ধ’)। কোথায় যেন দেখলাম, কোনও ১ মে ২০১৫ নির্ধারিত প্রয়াণলেখতেই বোধহয়— দেখলাম, নাকি আমিই ভুল করছি?— ওই পুরো গ্রন্থতালিকা ‘নিরপেক্ষ’ অমিতাভ চৌধুরীরও কৃতিভুক্ত। আশ্চর্য! যেমন কবি-সাংবাদিক অমিতাভ চৌধুরীর মাগসাইসাই প্রাপ্তি, তেমনই ‘নিরপেক্ষ’ অমিতাভ চৌধুরীর এই রচনাবলি! বুঝি একই মুদ্রার তাঁরা এপিঠ-ওপিঠ! বুঝি অমিতাভ চৌধুরী বলতে ওয়েবসাইটমাত্রেই বোঝে এক ব্যক্তি, দুই নয়? তাই সমূহ কৃতি ও সমূহ সম্মান সেই এককেই অৰ্পণ করে? জানি না তাঁরা দুজনেই কি ১৯৮৩-তে ‘পদ্মশ্রী’ ও ২০১৩-তে ‘বঙ্গবিভূষণ’ পেয়েছিলেন। ইত্যাকার ইতিহাসে আমি তেমন দড় নই।
আর তা যদি হয়, তাহলে তো ‘নিরপেক্ষ’ অমিতাভ চৌধুরীকেও ১ মে ২০১৫-তে মারা পড়তে হবে। কিন্তু তা কি সত্যিই ঘটেছিল? জন্মতারিখ যেমন তাঁদের আলাদা তেমনই মৃত্যুতারিখও কি তাঁদের আলাদা নয়? নিপাতনের অঙ্ক কি তা-ই দাবি করছে না (‘ভ্রান্তি’ তো ‘বিলাস’ই)? অথচ, পিটিআই বলছে ১ মে ২০১৫। সেই তথ্যসূত্রনির্ভর যে খবর ২ মে-র ‘হিন্দু’-তে বেরিয়েছিল, তার বাংলা এই হতে পারে—
কলকাতা: পুরস্কারপ্রাপ্ত সাংবাদিক ও লেখক অমিতাভ চৌধুরী দীর্ঘ অসুস্থতার পর এই শুক্রবার (২০১৫-র ১ মে শুক্রবারই ছিল) এখানে মারা গেলেন। বয়স হয়েছিল ৮৭।
শ্রী চৌধুরী তাঁর দক্ষিণ কলকাতার বাড়িতে ভোরবেলা প্রয়াত হন। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে তাঁর একমাত্র পুত্র বর্তমান।
তিনি তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন ১৯৪৮-এ এই শহরের এক তদানীন্তন প্রভাবশালী পত্রিকা ‘যুগান্তর’-এ। পরে তিনি ‘আনন্দবাজার পত্রিকা’ ও ‘আজকাল’-এ(ও) কাজ করেন ।
শ্রী চৌধুরী ভারতে ব্যক্তিগত অধিকার ও কৌম স্বার্থ নিয়ে তাঁর (ক্রমান্বিত) প্রতিবেদনের জন্য ১৯৬১-তে সাংবাদিকতা ও সাহিত্যে (প্রদত্ত) বহুমান্য রামোন মাগসাইসাই পুরস্কার পান।
পরে, তিনি ইন্টারন্যাশনাল প্রেস ইনস্টিটিউট-এর ডিরেক্টার হন, ১৯৬৫-৬৮ পর্বে, যা বিশ্বব্যাপী সম্পাদক ও প্রকাশকদের এক ছত্রপ্রতিম সংস্থা।


‘নিরপেক্ষ’ অমিতাভ চৌধুরীকে আমি দেখিনি। তাঁর কথা প্রথম শুনি নরেশ গুহর কাছে, যিনি কিছুদিন ‘যুগান্তর’-এ কাজ করেছিলেন । অনেক পরে, নব্বুইয়ের শেষদিকে যে তিনি কয়েক বছর ‘দেশ’ সম্পাদনা করেছিলেন তা মনে আছে (পত্রিকার চেহারা কি খানিক পালটে যাচ্ছিল?)। ‘আনন্দবাজার’-এ ‘ঘরে-বাইরে’ কলাম কি তার আগের, না সেই সময়কারই? কিন্ত অন্য অমিতাভ চৌধুরীকে আমি দু-একবার শান্তিনিকেতনে দেখেছিলাম। তাঁর ছড়া তো পড়েছিলামই— আমার মনে হয়েছিল তিনি অন্নদাশঙ্কর রায়ের ঘরানার ছড়াকার। পরে তাঁর সঙ্গে পরিচয়ও হয়। পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির তিনি যখন এক প্রবীণ সংসদ-সদস্য তখন তাঁর সস্নেহ সান্নিধ্য পাই। অন্য সকলের মতো আমারও তিনি অমিতদা হয়ে ওঠেন ।
ওয়েবসাইটে তাঁদের ছবি নিয়েও বেশ দ্বিধা জাগে। একটা প্রথম যৌবনের সুকুমার চেহারার ছবি আছে, সম্ভবত তা ‘নিরপেক্ষ’ অমিতাভ চৌধুরীর । কবি-সাংবাদিক অমিতাভ চৌধুরীর বেলাতেও তা একবার ব্যবহৃত হতে দেখি, বুঝি অমনই চেহারা তাঁরও ছিল প্রথম যৌবনে, যদিও তাঁর প্রৌঢ় বয়সের ছবিতে কোনও ভুল নেই। তা আমাদের চেনা অমিতদাই। তবে সেই ছবি যদি একবার ‘নিরপেক্ষ’ অমিতাভ চৌধুরীর বিবরণের সঙ্গেও ছাপা হয়ে যায়? আশা করি তা প্রতিবেদকেরই বিভ্রম, কারণ ‘নিরপেক্ষ’ অমিতাভ চৌধুরী নিশ্চয়ই প্রৌঢ়ত্বে পৌঁছে কবি-সাংবাদিক অমিতাভ চৌধুরীর চেহারা নিয়ে নেননি? আর তিনিও নিশ্চয়ই প্রথম যৌবনে অবিকল ‘নিরপেক্ষ’ অমিতাভ চৌধুরীর জোড়া ছিলেন না? ভালো হত যদি তাঁর শান্তিনিকেতনে পঠনপাঠনকালীন কোনও ছবি পাওয়া যেত। আর খুবই ভালো হত যদি ‘নিরপেক্ষ’ অমিতাভ চৌধুরীর প্রথম জীবনের আরও তথ্য পাওয়া যেত— কলকাতায় জন্মেও কেন মৈমনসিংহে স্কুলে যেতে হল? পরবর্তী পড়াশোনা অবশ্য কলকাতাতেই।
দুই আলাদা ব্যক্তি কি একে অন্যের বিকল্প হয়ে উঠতে পারেন? হলই না হয় নামের ঐক্য, কিন্তু সেই সন্নিপাতে কি ব্যক্তির বিশিষ্টতা ঘুচে যেতে পারে? এমনকী সমলিঙ্গের যমজ দেহেও তো মনের অনৈক্য সম্ভব। হালের এক বিখ্যাত স্প্যানিশ ছবিতে রোমুলুস ও রেমুস (যারা মিথে রোমের ভাবী প্রতিষ্ঠাতা) নামে দুই যমজ বালকের পার্শ্বচরিত্র দেখলাম যাদের একজন বাকশক্তিহীন। কল্পনাই মাত্র? নাকি পরোক্ষ সত্যের ছোঁয়াও আছে? অন্তত তাদের ভিন্নতা বিশ্বাসযোগ্য? ইত্যাদি ইত্যাদি প্রশ্নে দস্তইয়েভস্কির দ্বৈতসত্তার কাহিনির দিকে হাত বাড়াতে গিয়েও আর বাড়াতে হল না— ‘আনন্দবাজার’-এর সাম্প্রতিক অতীত খুঁড়ে প্রত্যক্ষ সত্যসন্ধেরা বের করলেন যে, ‘নিরপেক্ষ’ অমিতাভ চৌধুরীর মৃত্যু হয়েছিল রবিবার, ১০ এপ্রিল ২০১৬-তে, যোধপুর পার্কে তাঁর স্বগৃহে, কয়েক বছর আগেকার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত অসুস্থতা থেকে। বয়স হয়েছিল ৮৮। (দুই পুত্র রেখে যান। স্ত্রী আগেই চলে গিয়েছিলেন।) সেই সঙ্গে তাঁর বেশি বয়সের ছবিও আমরা পেয়ে যাই। যে সুকুমার যুবকের ছবি ভেসে ওঠে ওয়েবসাইটে, তারই পরিণত চেহারা বোধ করি।
অতএব শুক্রবার ১ মে ২০১৫-র যে বেলুন উড়ছিল, তা ফাটল। এমন ভ্রান্তিবিলাস সত্যিই সাজে না।
কৃতজ্ঞতা: অমিতাভ দেব চৌধুরী, প্রণব বিশ্বাস, সেমন্তী ঘোষ, স্বপ্না রায়।
নিবন্ধটি কবিসম্মেলন পত্রিকার মার্চ ২০২৩ সংখ্যায় প্রকাশিত। সংখ্যাটি পাওয়া যাচ্ছে এখানে।

Leave a Reply